মহান আল্লাহ তা’আলা মানব জাতি সৃষ্টি করেছেন কেবলমাত্র তার ইবাদতের জন্য। আর ইবাদতের মূল উৎস হলো আল-কুরআন। নামাজ, রোজাসহ সকল ইবাদত শুদ্ধরুপে আদায় করার জন্য কুরআনের জ্ঞান অপরিহার্য। এই জন্য আল্লাহ তা’আলা কুরআনের সর্ব প্রথম নাজিলকৃত আয়াতে বলেন, ‘পড় তোমার রবের নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন’ (সূরা আলাক, ১)।
নবী কারীম (সাঃ) বলেন, ‘প্রত্যেক নর ও নারীর উপর দ্বীন ইসলামের জ্ঞান অর্জন করা ফরয’ (ইবনে মাজাহ, ২২৪)। কিন্তু আমাদের প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় কুরআন ও সুন্নাহের শিক্ষার সুযোগ অত্যন্ত সীমিত। তাই মৌলিক দ্বীনের জ্ঞান অর্জনের জন্য স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ছাত্র-ছাত্রীদের আলাদাভাবে শিক্ষা গ্রহণ আবশ্যক।

সন্তান মানুষের সবচেয়ে মুল্যবান সম্পদ। নিজ সন্তানকে দ্বীনের জ্ঞান শেখার ব্যবস্থা করা প্রত্যেকের জন্য অপরিহার্য । দ্বীনি শিক্ষায় শিক্ষিত এবং তদানুযায়ী আমলকারী সন্তান পিতা-মাতার বাধ্যগত থাকে এবং পরকালে সদকায়ে জারিয়া ও নাজাতের মাধ্যম হয়। সুতরাং সন্তানের জন্য নিয়মিত শিক্ষার পাশাপাশি ইলমে দ্বীন শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম।
ছোট বয়সে পড়াশোনার চাপ কম থাকে, তাই ৬ থেকে ১৩ বছর বয়সের মধ্যে ভালোভাবে কুরআন ও মৌলিক দ্বীন শিখে নিলে পরবর্তী জীবনে দ্বীন চর্চা করা সহজ হবে, ঈনশা’আল্লাহ্!
বাসায় আরবি শিক্ষক রেখে একাকী পড়ানোতে অধিকাংশ সময় বাচ্চাদের জন্য বোরিং হওয়ায় অনীহা প্রকাশ পায়, তাই পড়া আয়ত্ত করা কঠিন হয় যায়। প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ব্যাচের সাথে পড়ার ফলে বাচ্চারা আনন্দ উপভোগ করে এবং পড়া তুলনামূলক দ্রুত আয়ত্ত হয়।
আমাদের উদ্দেশ্যঃ স্কুল স্টুডেন্টদের বাসা থেকেই প্রাতিষ্ঠানিকভাবে অনলাইনে কুরআন ও মৌলিক দ্বীন শিক্ষার ব্যবস্থা করা। শিক্ষার্থীরা যেন শুদ্ধভাবে কুরআন পাঠ করার পাশাপাশি কিছু নির্বাচিত সূরা অর্থসহ হিফয (মুখস্ত) করতে পারে তার ব্যবস্থা করা।
